বনফুলের লেখা "আলোবাবু" গল্পের সারাংশ
আলোবাবু গল্পের আলাে বা ‘আলুবাবু’ ছিলেন অদ্ভুত চেহারার, দরিদ্র কিন্তু অত্যন্ত স্নেহশীল মানুষ। তিনি জীবজন্তুর প্রতি অগাধ মমতা দেখাতেন। একদিন একটি আহত পাখির ছানা নিয়ে সাহায্যের জন্য তিনি কথকের কাছে আসেন। পরে দেখা যায়, তিনি অবিনাশবাবুর বাড়িতে থাকেন এবং সেখানেও একটি কুকুরছানার সেবা করতে ব্যস্ত।
অবিনাশবাবুর মাধ্যমে আলোবাবুকে হাসপাতালের ড্রেসার পদে কাজ দেওয়া হলেও, ভুলবশত এক রোগীর ঘায়ে কার্বলিক অ্যাসিড লাগানোর জন্য চাকরি হারান। পরে অবিনাশবাবুর স্ত্রীও তাঁকে বিদায় দেন, কারণ আলোবাবু কুকুরছানাকে আদর করতে করতে ভুল করে অবিনাশবাবুর শিশু সন্তানকে একইভাবে চুমু খান।
শেষে কথক আলোবাবুকে আশ্রয় দেন। জানা যায়, তাঁর সবচেয়ে আদরের জিনিস হলো একটি ছোট ঘড়ি—যাকে তিনি প্রতিদিন ঠিক সময় দম দিয়ে যত্ন করতেন। ঘড়িটির প্রতি তাঁর মমতা ছিল যেন জীবন্ত সঙ্গীর মতো। একদিন ঘড়িটি চুরি হয়ে যায়, আর সে ব্যথায় আলোবাবু ভেঙে পড়েন।
ধীরে ধীরে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারান। সমাজের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তাঁকে পাগলা গারদে রাখতে হয়। স্নেহের কাঙাল এই মানুষটির জীবনে কখনও প্রকৃত ভালোবাসা জোটেনি।
#আলোবাবু #বনফুল #গল্প #বনফুলেরগল্প #wbssc #alobabu #bonful #story #bengalistory #wbbse


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Please do not enter any spam links in the comment box.